শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: এক বীরের জীবনী যা ইতিহাসকে হাসিয়ে দিয়েছে
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান – নামটি শুনলেই মনে পড়ে যায় একজন লোক যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশকে জাগিয়ে তুলেছিলেন, আর পথে পথে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লব ঘটিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু জেনারেল জিয়া শুধু একজন গম্ভীর সেনাপতি ছিলেন না; তার জীবনীতে লুকিয়ে আছে এমন কিছু মজার টুইস্ট যা যেন বলে, "ইতিহাস সিরিয়াস হতে হবে কেন? একটু হাসি-ঠাট্টা মিশিয়ে নাও!" আজ আমরা তার জীবনের পাতায় ঘুরে আসব, হাস্যরসের ছোঁয়ায়, কিন্তু সম্পূর্ণ সত্যতার সাথে। চলুন, শুরু করি তার প্রারম্ভিক দিনগুলো থেকে।
প্রথম অধ্যায়: গ্রাম থেকে গ্লোবট্রটার – শৈশবের মজার যাত্রা
জিয়াউর রহমান, যাকে সবাই আদর করে "জিয়া" বলে ডাকতেন, ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার বাগবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মনসুর রহমান ছিলেন একজন রসায়নবিদ, যিনি সরকারি চাকরিতে কলকাতায় থাকতেন। কল্পনা করুন, একদিকে গ্রামের মাটির গন্ধ, অন্যদিকে কলকাতার শহুরে জীবন – জিয়ার শৈশব যেন একটা অ্যাডভেঞ্চার মুভি! ১৯৪৭-এর ভারত বিভাজনের পর পরিবার করাচিতে চলে যায়, আর জিয়া হেয়ার স্কুল ছেড়ে একাডেমি স্কুলে ভর্তি হন। ১৯৫২-এ মাধ্যমিক শেষ করে ডিজে কলেজে যান, কিন্তু ভাগ্যের খেলা – সেই বছরই পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে যোগ দেন। মজার ব্যাপার, যে ছেলেটি গ্রামে খেলাধুলা করত, সে হঠাৎ করে সেনাবাহিনীর কড়া ড্রিলে ঢুকে পড়ল। যেন জীবন বলছে, "চল, একটু অ্যাকশন যোগ করি!"
সামরিক জীবন: যুদ্ধের মাঠে কমেডি অফ এররস?
১৯৫৫-এ সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হয়ে শুরু হয় জিয়ার সামরিক ক্যারিয়ার। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দিয়ে গোয়েন্দা বিভাগে কাজ করেন, আর ১৯৬৫-এর ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে খেমকারানে তার কোম্পানি সবচেয়ে বেশি বীরত্ব পুরস্কার পায়। কল্পনা করুন, যুদ্ধের মাঝে তার নেতৃত্ব – যেন একটা অ্যাকশন হিরোর গল্প, কিন্তু সত্যি! পরে প্রশিক্ষক হয়ে কোয়েটা স্টাফ কলেজে যান, আর ১৯৬৯-এ জয়দেবপুরে সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। পশ্চিম জার্মানি থেকে উচ্চ প্রশিক্ষণ নিয়ে ফিরে চট্টগ্রামে যোগ দেন। মজার টুইস্ট: এত যুদ্ধ আর প্রশিক্ষণের মাঝে জিয়া যেন বলছেন, "যুদ্ধ তো চলবেই, কিন্তু আমি তো প্রস্তুতি নিয়ে এসেছি – সারপ্রাইজ!"
স্বাধীনতা যুদ্ধ: ঘোষণা যা ইতিহাসকে চমকে দিল
১৯৭১-এর ২৫ মার্চ, পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংস অপারেশন সার্চলাইট – আর জিয়া? তিনি বিদ্রোহ করেন! ২৬ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা: "আমি মেজর জিয়া, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করছি!" চট্টগ্রাম-নোয়াখালী নিয়ন্ত্রণ করে পশ্চাদপসরণ, তারপর সেক্টর কমান্ডার হয়ে Z Force নেতৃত্ব। রৌমারীতে প্রথম বেসামরিক প্রশাসন গড়ে তোলেন, আর বীর উত্তম পান। হাস্যরসের ছোঁয়া: যেন জিয়া পাকিস্তানিদের বলছেন, "আরে, তোমরা এত গম্ভীর কেন? আমরা তো স্বাধীনতা পার্টি শুরু করলাম!"
রাজনৈতিক উত্থান: অভ্যুত্থানের কারুসেল
যুদ্ধ শেষে ব্রিগেডিয়ার, মেজর জেনারেল, সেনাপ্রধান – কিন্তু ১৯৭৫-এ অভ্যুত্থানে গৃহবন্দী। ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতা বিপ্লবে ফিরে আসেন, প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক, তারপর রাষ্ট্রপতি। সংবিধানে "বিসমিল্লাহ" যোগ করেন, সমাজতন্ত্রকে ন্যায়বিচারে রূপান্তরিত করেন। মজা এখানে: রাজনীতির এত ওঠানামা যেন একটা রোলারকোস্টার রাইড, আর জিয়া ড্রাইভারের সিটে!
অর্থনৈতিক বিপ্লব: খাল খনন থেকে GDP বুম
জিয়া প্রাইভেট সেক্টরকে উৎসাহিত করেন, কৃষকদের ভর্তুকি দেন, শিল্প ফিরিয়ে দেন মালিকদের। ১৯-দফা কর্মসূচি: খাল খনন, নিরক্ষরতা দূর, পরিবার পরিকল্পনা। খাদ্য উৎপাদন রেকর্ড, GDP ৬.৪% বৃদ্ধি। হাস্যকর দিক: যেন জিয়া বলছেন, "দেশ চালাতে গেলে শুধু যুদ্ধ নয়, খালও খুঁড়তে হয় – আর সেটা মজার!"
বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ: ঐক্যের হাস্যময় রেসিপি
জিয়া "বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ" প্রবর্তন করেন – ভূখণ্ডভিত্তিক ঐক্য, ধর্ম-জাতি নির্বিশেষে। ১৯৭৮-এ বিএনপি গঠন, নির্বাচনে জয়। রাজনীতিকে গণতান্ত্রিক করেন, সংবাদমাধ্যম মুক্ত করেন। মজা: এত বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্য – যেন একটা পার্টিতে সবাইকে আমন্ত্রণ!
আন্তর্জাতিক মঞ্চ: সার্কের জন্মদাতা
ভারত, চীন, আমেরিকা – সবার সাথে সম্পর্ক গড়েন। সার্কের ধারণা দেন, জাতিসংঘে সক্রিয়। হাস্যরস: যেন জিয়া বিশ্বকে বলছেন, "চলো, সবাই মিলে একটা আঞ্চলিক পার্টি করি!"
শেষের কথা: একটি অসমাপ্ত গল্প
১৯৮১-এ চট্টগ্রামে অভ্যুত্থানে শহীদ হন জিয়া। তার উত্তরাধিকার? বাংলাদেশের গণতন্ত্র, অর্থনীতি, জাতীয়তাবাদ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর জীবনী শুধু ইতিহাস নয়, একটা অনুপ্রেরণা – হাসি মিশিয়ে। যেন তিনি বলছেন, "জীবন ছোট, কিন্তু প্রভাব চিরকালীন!"
এই জীবনী পড়ে যদি আপনার মনে একটু হাসি ফুটে, আর কিছু শেখা হয়, তাহলে মিশন সাকসেসফুল। আরও জানতে চান? কমেন্ট করুন!

